তাপসকিরণ রায়ের কবিতা--
প্ৰত্যাক্ষানে
প্ৰত্যাক্ষানে আমি হিংস্র
তোমার ঠোঁট ছিঁড়ে আমি জঙ্ঘা সাজাই
এক টুকরো চাঁদ খুলে নিয়ে তোমার শ্যাম
শরীর দেখি, অথচ দেখ অন্ধকারে আমরা সবাই ডুবে আছি
পাখির পালকের নিচে রক্ত তন্তুবহ
পালক সৌন্দর্যে তুমি আকাশ দেখো, পাখির ফিরে যাওয়া ঘর
ভ্রম
আমি অন্ধকার, তাই তোমার কঠোর পরিচয়, সংস্পর্শের পর গাঢ় হয় প্রেম--
নগ্নতা খুলে যেতে যেতে বিতৃষ্ণা। বারংবার ফিরে ফিরে বিরহের আকাশ দেখি।
সব ক্ষণ অস্থায়ী, তোমার মতন অপার জন্মান্তরগুলি মনান্তর ধরে আছে।
আগুন শুদ্ধতায় জ্বলে যাও তুমি--কেউ দেখ পাশে নেই,
অবান্তর কিছু কথা ভ্রম ধারণার মাঝে জীবনের অনেকটাই ক্ষয়ে গেল বন্ধু !
কল্পনায় চুমু কাটি
তোমাদের ঘেরে বেঁচে থাকা
জেগে স্বপ্ন দেখি--তোমাদের বিছানায়
ধর্ষণ কল্পনায় তুমি যখন একলাটি
খোলা হাওয়ায় আমি তখন কাপড়
ভিজিয়েছি।
ভালবাসা গুছিয়ে রাখি।
বিরহের ধোঁয়া ওঠে যখন
কল্পনায় চুমু কাটি যে যে জাগা
ছুঁয়ে ছিলে তুমি
ধর্ষণ কল্পনায় রাত জেগে থাকো তুমি
সে বিমর্ষ স্বপ্নের একাকার
জানালায় তুমি চুরমার
অস্তিত্ব
যতই বলি ঘোলাটে জীবন
কিছুটা পাঁক চাই
লালাভ ফুটে ওঠে এক অস্তিত্ব
পদ্মনাভ !
পতিত
পতিত জমিন আজও তেমনি পড়ে আছে
আগাছা উপড়ে উপড়ে বয়সের গাছ পাথর খুঁজে ফিরি
হঠাৎই বড় আপন হয়ে যাও তুমি
তুমি অন্য তুমির মাঝে আমি
অভ্যাসগুলো ছিঁড়ে যাচ্ছে তবু কলহ মিলেমিশে নতুন অভ্যাস
অবমাননায় কত কিছু যে ভুলে যাই
হ্যাঁ করলেই কিছু কথা মুখ থেকে বেরিয়ে আসে
উচিত কথা বলতে পারি, কিন্তু সইতে পারি না
মাঝ রাতে জাগিয়ে দিলে তুমি
তোমার গোপন ডাইরীর পাতা পড়তে পড়তে
আমি জেগে থাকি
তখন তুমি ঘুমিয়ে আছো।
This comment has been removed by the author.
ReplyDelete