ইন্দ্রাণী ব্যানার্জী
এই বাঁধলাম নুপূর
চোখে দিলাম কাজল
আজ আর নয়
অলক্তরাগ।
বাইরে রিমিঝিমি
বক্ষে দ্রিমিদ্রিমি
হৃদয়গহীনে
সংকেত ডাক।
ভরা নদী
ভরা যৌবন।
কেতকী কদমে
সাজে উপবন।
অধীর অধরা
ব্যাকুল হিয়া
আজ শুধু অভিসার।
আলোপাখি
আমার মনখারাপের বারান্দায়
রোজ একটা পাখি আসে।
অন্ধকার মনের হদিশ খুঁজে
ঠিক হাজিরা দেয়।
আমি ওকে নাম দিয়েছি আলোপাখি।
কী তীব্র ওর ছটা।
আমাকে গান শোনায়।
গভীর প্রত্যয়ে বাসা বাঁধে
আঙুল তুলে শাসন করে
আবার কোথা থেকে
মুখে করে আনে
খুদকুঁড়ো।
আমার মুখে গুঁজে দিয়ে
কিচ্ কিচ্ করে ডাকে।
আমি যত বলি
যা পাখি যা।
কিছুতেই আমাকে ছাড়ে না।
ভাবটা যেন এই
আমি একটা হাঁদারাম।
আমার গভীর প্রত্যয়ে
রোজ আলোপাখি আসে।
সহজ জীবনের গল্প
গল্পটা লেখার ইচ্ছেছিল
সহজ জীবনের গল্প।
যেখানে ক্লান্ত শরীর
শীতল দেহে পাবে ওম।
অপূর্ব স্বপ্নাবেশে
ভেসে থাকবে
গল্পের চরিত্রগুলো
হায়!গল্পটা লেখা গেল না।
আকাশে শুধুই এখন
চিল আর শকুন।
কী করে ওরা
গল্পের চরিত্র হল?
আমি তো
শালিক,চড়াই আর
কোকিলের সহজ গল্প
লিখতে চাইলাম।
এমনি করেই
গল্প লেখা হয় না।
পাঠক সমাজ
ক্ষমা করুন।
ওরা তীব্র রূপী
সুযোগ পেলেই ছিনিয়ে নেয়
জীবনের সহজ গল্পগুলো।
আক্ষেপটাই সার
সহজ জীবন
জটিলতর হচ্ছে।
সহজ জীবনের গল্প
এখন শুধুই মরীচিকা।

No comments:
Post a Comment