যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা

যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা

Wednesday, 7 October 2020

আলমগীর সরকার লিটনের কবিতা--

আলমগীর সরকার লিটনের কবিতা--


শরতের মুখরোচক


=================================

শরত হেঁটে গিয়েছিল ঠিক পাঁজরের উপর দিয়ে-

সমস্ত কাশফুল ঝরেছিল অথৈ জলতরঙ্গের উপর;

অপেক্ষার প্রহরগুলো নিঃঘুম তবু শরতের অণু দেহ

দৃষ্টিপাত করে ঐ নীল সাদাকাশের নিশিপানে চাঁদ।


শুধু কল্লোলে ফুটল শরত শিশির সিক্ত ঘাস ফুল

নরম পদাঙ্ক স্পর্শ করে না ঠিক যেনো প্রণয়েরের

দীর্ঘশ্বাস অথচ ঘুমটা পরে মেলেছে সরিষা ফুলের 

গন্ধ উড়ানো রাজপথ- অতঃপর এভাবেই সুনিশ্চিত-


শরত একদিন আসবে বুঝি- ঐ গোধূলি মেঘের উপর-

কিংবা অষ্টকাদি মুখরোচক শরতের শূন্য পালঙ্কে ভর।


সবই আছে 


===============================

দেশের সবই আছে নেই শুধু ঘণ প্রেম! 

কিছু মানুষ ভালবাসা বুঝাচ্ছে কিন্তু বিড়ালটা 

মানচ্ছে না ইলিশটা তেলে ভাসচ্ছে ঠিকই  

কিন্তু প্রেম হচ্ছে না গাঢ়- তবুও মিছিলে  

শ্লোগানে রেডিও, টিভি চ্যানেল, বাতাস  

প্রেমিকে সবই আছে; আমি কিছুই খোঁজে পাচ্ছি না! 

আমাকে অসুখ বলচ্ছে আমি কি অসুখ? 

কোথায় আম কাঁঠাল বুঝতেছে না কেনো 

অতঃপর বলচ্ছে তবুও সবই আছে- সবই আছে। 

 

অসুখ


=========================

তোমার বোতল ভরা হাসি দেখে পিলে

চমকে উঠে! ভাসতে যাই নদে জলে।

অথচ একদিনও চায়লে না বোতলের

কর্ক খুলে হাঁটতে- একে বারে মনে হয় না

 ক্লান্তবোধ যদি না হয় ভাল্বের অসুখ-

নিশ্বাসটা ভারি! ভাল্ব সংঙ্করণ নাকি! মৃত্যুর

কাছাকাছি কিংবা খরজটা অনেক বেশি,


শুধু জানতে চেয়েও না দেহ কুন্ডে অসুখ-

তার চেয়ে বরং ডুবেই যাই! তোমার নৈঃশব্দে

বোতল বন্দি ডুবোশহরে; লজ্জার হাটুজল হয়েছে

বালুচর শুধু অজস্র প্রলাপের স্মৃতি খল পরেছে

শ্যাম্পেনের ঝরা কষ্ট! গরম তেলে ভাজা ফুরিয়ে

যায় তালপাতার সুখ। অতঃপর জানতে চেয়েও না

যদি বোতল ভরা হাসি মুখে উচ্ছলে উঠে অসুখ।

 

No comments:

Post a Comment