যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা

যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা

Wednesday, 7 October 2020

তমা কর্মকার

গদ্যকবিতা-স্বার্থপর

তমা কর্মকার


মনটাকে সাজিয়ে গুছিয়ে একদিন গড়ে তুলে ছিলাম একটি ইমারত

তুমি বন্ধু বেশে প্রবেশ করলে সেই ইমারতে|

তোমার মনের ক্ষিদে মেটাতে ধীরে ধীরে সেই ইমারতের দখল নিলে,

চরিতার্থ করলে তুমি তোমার কুটিল মনের বাসনা

পূর্ণ হলো তোমার মনের লালসার বিকৃত মনের ক্ষিদে|

এবার তোমার অন্য মনের ইমারত চাই| তাই আমার মনের ভালোবাসার ইমারতকে তুমি,

তোমার মনের ঈর্ষা কাঁটা দিয়ে চিরে ফালা ফালা করে দিলে|

আমি ব্যথায় কুঁকড়ে উঠলাম, না তুমি আমার সে ব্যথা দেখতে পেলেনা,

কি করে দেখবে?

তোমার চোখে যে এখন অন্য মনের রঙিন স্বপ্ন

অন্য মনের ইমারতে প্রবেশ পথের অন্নেষণে তুমি ব্যস্ত|

আজ আমার তোমাকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছে তুমি স্বার্থপর

হ্যাঁ হ্যাঁ তুমি আস্ত একটা মুখোশ ধারী স্বার্থপর|

কিন্তু কিকরে সবাইকে তোমার স্বার্থপরতার,বর্বরতার,

আসল কদর্য রূপটা দেখাই বলো?

আজ তোমার স্বার্থপরতার বর্বরতার আসল কদর্য রূপটা সবাইকে দেখালে? তোমার সুন্দর মুখের আড়ালের ওই ভয়ঙ্কর কদর্য রূপটা দেখলে যে,

মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে ভালোবাসতে,এমনকি বন্ধুত্ব শব্দটাকে ভয় পাবে|

প্রতিটা মুহূর্তে মানুষ মানুষকে দেখবে সন্দিহানের চোখে

কেউ আমার মতো মনের ইমারতের দ্বার আর রাখবেনা খোলা|

তোমার মতো একজন বন্ধুবেশী সুযোগ সন্ধানী স্বার্থপর

করতে পারবেনা আর কারো শরীর মন নিয়ে খেলা|

সব জেনেও তবুও আমি মুখ ফুটে কাউকে বলতে পারবোনা

তোমার সার্থপরতা বর্বরতার কথা|

কিকরে একজন মানুষ হয়ে বলো সমস্ত মানুষ জাতির ক্ষতি করি?

কারণ সবাইতো তোমার মতো স্বার্থপর বর্বর কদর্য বিকৃত মনের নয়

তোমাকে শাস্তি দিতে গিয়ে যে নিরীহ মানুষ গুলোকেও শাস্তি দেওয়া হবে|

তবুও অপরাধীকে ছেড়ে দিতে নেই তাই তোমাকেও আমি ছেড়ে দিলামনা

তোমাকে শাস্তি দেবার ভারটা আমি তুলে দিলাম একক পরম পিতা ঈশ্বরের হাতে|

তিনি নিশ্চয়ই তার বানানো মানব কূল রক্ষার্থে নেমে আসবেন ধরাধামে

আর তোমার মতো স্বার্থপর নরাধমের সংহার করে বিনাশ করবেন পাপী কূল| এই ধরণীতল থেকে হবে পাপের বিনাশ,

শুদ্ধতার জলে কদর্য কালিমা ধুয়ে মুছে ধরণীতল হবে আবার নির্মল|

মানুষেরা প্রাণ ভরে নেবে বিশুদ্ধ বাতাসে নিশ্বাস|


No comments:

Post a Comment